এক দোকানিকে মারধর করলেন কাউন্সিলর মনির

নারায়ণগঞ্জ শহরের শায়েস্তা খা সড়কে কোর্ট মসজিদের বিপরীতে  এক কম্পিউটার দোকানিকে মারধর করেছেন ১৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মনির।

তবে ভুক্তভোগীর অভিযোগ, কাউন্সিলর নিজেই লোক পাঠিয়ে বিভিন্ন দোকানে প্রত্যয়ন পত্রের খোঁজ নিচ্ছিলেন।

বিষয়টি জনসম্মুখে বলে দেওয়ায় তাকে মারধর করেছেন কাউন্সিলর।

অপরদিকে কাউন্সিলরের দাবী তার নামের একটি প্যাড পাওয়া গেছে। সে কারণেই তিনি চড় থাপ্পর মারেন।

১ জুন বৃহস্পতিবার রাত ৯ টায় শায়েস্তা খান সড়কে কোর্ট মসজিদের বিপরীতে ওই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী দোকানির নাম সোহাগ (৩২)।

তিনি জয় কম্পিউটার নামক দোকানে কর্মরত আছেন। এই ঘটনায় দোকান মালিক অ্যাডভোকেট ধনঞ্জয় আইনের আশ্রয় নিবেন বলে জানিয়েছেন।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে ভুক্তভোগী সোহাগ বলেন, ‘রাত ৯টার দিকে একটা ছেলে এসে আমার কাছে জানতে চাইলো কাউন্সিলরের প্রত্যয়ন পত্র আছে? আমি বললাম না।

সে পাশের দোকানে গেলো। সেখানে প্রত্যয়ন পত্র তৈরী করতে দেখে সাথে সাথেই কাউন্সিলরকে ফোন দেয় এবং কাউন্সিলর এসে ডাক চিৎকার করতে থাকে।

আমি পাশে দাঁড়িয়ে দেখার সময় বলি ‘এই লোক তো আমার দোকানে আইসাও প্রত্যয়ন পত্র চাইসে।’

এই কথা বলার অপরাধে কাউন্সিলর আমার কলার ধরসে আর হোটেলের লোকজন দিয়া মারধর করছে।

কাউন্সিলর মানুষ তারে তো কিছু বলতে পারি না। চুপচাপ মার খাইতে হইসে।

দোকান মালিক অ্যাডভোকেট ধনঞ্জয় বলেন, ‘এই ঘটনায় মার্কেটের সিসিটিভি ফুটেজ খুজছি। সেটা হাতে পেলে আমরা আইনের আশ্রয় নিবো।’

অভিযোগের বিষয়ে কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘এই দোকানগুলোতে আমার প্রত্যয়ন পত্র পাওয়া গেছে।

কাউন্সিলরের প্রত্যয়ন পত্র বানানোর এখতিয়ার তো ওদের নাই। ওরা কেন এই কাজ করবে?

আমি তো পুলিশে দিতে চাইসিলাম। ছোট ভাই বইলা হাত পা ধইরা মাফ চাইলো। তাই মাফ কইরা দিসি। এখন তৃতীয় পক্ষ আইসা এইটা নিয়ে নাটক সাজাইতাছে।’

 

আরও পড়ুন :

এন এ এন টিভি