৪৩ বছর বয়সে ‘দা হান্ড্রেড’ অভিষেকে বিবর্ণ জিমি অ্যান্ডারসন, ১৭ বছর বয়সী ফারহান আহমেদ খুব খারাপ করেননি সীমিত সুযোগে।
২০০৮ সালের ফারহান আহমেদের যখন জন্ম, জিমি অ্যান্ডারসন ততদিনে ১১৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। ‘দা হান্ড্রেড’ টুর্নামেন্টে সেই দুজনের পথচলা শুরু হলো একই দিনে। ৪৩ বছর বয়সে অভিষেকে ভালো কিছু করতে পারলেন না অ্যান্ডারসন। সীমিত সুযোগে অবশ্য খারাপ করেননি ফারহান। তবে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে জিততে পারেনি তাদের দল ম্যানচেস্টার অরিজিনালস।
১০০ বলের ক্রিকেট আসর ‘দা হান্ড্রেড’ টুর্নামেন্টের নতুন মৌসুমে হার দিয়ে যাত্রা শুরু করল ফেভারিট ম্যানচেস্টার অরিজিনালস। শক্তিতে এগিয়ে থাকা দলকে ১ বল বাকি থাকতে ১ উইকেটে হারাল সাউদার্ন ব্রেভ।
২০ বলে ৩৬ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি অ্যান্ডারসন, রান দেননি তিনি পাঁচটি ডেলিভারিতে। ১৭ বছর বয়সী ফারহান ৫ বল করে আট রান দেন। তার অফ স্পিনে প্রথম বল থেকে আসে দুটি রান, পরের বলে ছক্কা। এরপর তিন বলে আর রান নিতে দেননি তিনি।
ইংল্যান্ডের হয়ে ৫ টেস্ট, ৬ ওয়ানডে ও ১০টি-টোয়েন্টি খেলা ২০ বছর বয়সী দারুণ সম্ভাবনাময় লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার রেহান আহমেদের ছোট ভাই এই ফারহান। তাদের বড় ভাই ২২ বছর বয়সী বাঁহাতি পেস বোলিং অলরাউন্ডার রাহিম আহমেদও ইংলিশ ক্রিকেটে খেলছেন নিয়মিত।
ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বুধবার এই ম্যাচে ১০০ বলে কেবল ১৩১ রান করতে পারে ম্যানচেস্টার অরিজিনালস।
অধিনায়ক ফিল সল্ট ৪১ বলে ৬০ রান করলেও দলের অন্য তারকারা জ্বলে উঠতে পারেননি। জস বাটলার ২২ রান করতে ১৮ বল খেলে ফেলেন, হাইনরিখ ক্লসেন অবিশ্বাস্যভাবে ১৫ রান করেন ১৬ বলে। পরের দিকে মার্ক চ্যাপম্যান ১২ বলে অপরাজিত ২২ রান করলেও অভিজ্ঞ লুইস গ্রেগরি ১০ বল খেলে করেন স্রেফ ৬ রান।
সাউদার্ন ব্রেভের টাইমাল মিলস ২০ বলে ২২ রান দিয়ে উইকেট নেন ৩টি।
রান তাড়ায় সাউদান ব্রেভ এগোতে থাকে কোনোরকমে। তিনে নেমে অভিজ্ঞ জেসন রয় ২২ বলে করেন ৩০ রান। সেটিই দলের সর্বোচ্চ।
অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার হিল্টন কার্টরাইট (১০ বলে ৯) ও নিউ জিল্যান্ডের অলরাউন্ডার মাইকেল ব্রেসওয়েল (৫ বলে ২) খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। এক পর্যায়ে ১১ বলে ২৬ রান প্রয়োজন পড়ে সাউদান ব্রেভের, উইটে বাকি তখন দুটি।
চার উইকেট নেওয়া পেসার স্কট কুরির শেষ বলে ছক্কা মেরে দেন টাইমাল মিলস। এরপর সনি বেকারের বলে একটি ছক্কা ও দুটি চার মারেন ক্রেইগ ওভারটন।
শেষ পাঁচ বলে চার রানের সহজ সমীকরণেও আবার জমে ওঠে ম্যাচ। গ্রেগরি প্রথম তিন বলে রান দেন কেবল একটি, এর মধ্যে বিদায় করেন মিলসকে। তবে পরের বলে চার মেরে ম্যাচ শেষ করে দেন রিস টপলি।
অভিষেকে নিজের বোলিং আর দলের হার মিলিয়ে জোড়া হতাশায় মাঠ ছাড়তে হয় অ্যান্ডারসনকে।
