প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠতে হয় এমন মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। কেউ খুব সহজেই উঠে যেতে পারে, কেউ পারে না।
ফলে যারা নিজ থেকে বিছানা ছাড়তে পারেন না, তাদের কাজের তাগিদে জোর করে বিছানা ছাড়তে হয়।
এই প্রচণ্ড ঘুমকাতুরেদের জন্য সকালে বিছানা ছাড়ার কী প্রভাব পড়ছে?
এভাবে বেশ কয়েক মাস চলার পর শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছেন অনেকেই। শরীরের বিরুদ্ধে গিয়ে এই বিছানা যাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়।
১) পর্যাপ্ত ঘুম সারা দিন চনমনে রাখতে সাহায্য করে। ঘুম ঠিকঠাক হলে শুধু শরীর নয়, ভালো থাকে মনও।
কাঁচাঘুম যদি ভেঙে যায়, সে ক্ষেত্রে কিন্তু শরীরে একটা আলসেমি চলে আসে। কোনো কাজেই মন বসে না।
কোনো কাজে সঙ্গ দেয় না শরীরও। অল্প কাজে করেই ক্লান্ত লাগে। বেশকিছু দিন এমন চলতে থাকলে স্বাস্থ্যের অবনতি হতে শুরু করে।
২) চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, যদি কেউ জোর করে ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করেন, সে ক্ষেত্রে তার প্রভাব পড়ে শরীরবৃত্তীয় ঘড়িতে।
ঘুমের একটি নির্দিষ্ট চক্র রয়েছে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন।
রাত করে ঘুমিয়ে অনেকেই সকাল সকাল ওঠেন। ঘুমের চক্র অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এতে শরীরের কার্যক্ষমতা অনেক কমে যায়।
৩) সকালে ঘুম থেকে উঠলে ওজন কমে। তবে জোর করে ঘুম থেকে ওঠার কারণে মাত্রাতিরিক্ত হারে ওজন কমতে থাকে।
এর ফলে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে নানা ধরনের রোগ।
সকালে ঘুম থেকে ওঠা যতটা ফলদায়ক, কাঁচা ঘুম ভেঙে বিছানা ছাড়ার অভ্যাস ততটাই অস্বাস্থ্যকর।
সকালে উঠতে হলে বেশি রাত করে না ঘুমানোই ভালো। ঘুমের ঘাটতি ডেকে আনতে পারে অনেক শারীরিক সমস্যা।
আরও পড়ুন:
- ৪ মে থেকেই বাজারজাত করা যাবে রাজশাহীর আম
- কুমিল্লা অঞ্চলের আসন নিয়ে ইসিতে শুনানি আজ
- আজ কের রাশিফল
- ফের তিন দিনের টানা ছুটি পেলেন সরকারি চাকরিজীবীরা
- প্রধানমন্ত্রী: অনেক উন্নত দেশ সংকটে পড়লেও বাংলাদেশের অবস্থা এখনও ভালো
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংস্কার করা হবে: আইনমন্ত্রী
- পাঁচ মামলায় হেফাজত নেতা মামুনুল হকের জামিন
- চকলেট ব্রাউনি কুকি
- নারায়ণগঞ্জে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে এসএসসি পরীক্ষার্থী

Comments are closed.