লাইফস্টাইল বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ডিওডোরান্ট ব্যবহারের ভিন্ন কিছু বিষয় জানানো হয়। সেগুলোই দর্শক বন্ধুদের জন্য নিম্নে তুলে ধরা হলো:-
১. মূলত বাহুমূলের ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে ডিওডোরান্ট ব্যবহার করা হলেও, পা দুর্গন্ধমুক্ত রাখতেও খানিকটা স্প্রে করা যেতে পারে।
২. বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মুখের ‘টি-জোন’ তৈলাক্ত হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ডিওডোরান্টের রোলার নিয়ে নাকের উপরের অংশে ঘষে নিলে তৈলাক্তভাব কম হবে।
৩. ঘাড়ের পেছনে ঘেমে চুল চপচপে হয়ে যায়। এতে চুল পেঁচিয়ে যেতে পারে বা সামলে রাখাও সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।
ঘাড়ের অংশে খানিকটা ডিওডোরান্ট লাগিয়ে নিলে ঘামে চপচপেভাব কমবে।
৪. নতুন জুতা পরলে পা ছিলে যায়! জুতা পরার পর যে অংশগুলো পায়ে ঘষা লাগে সেখানে ডিওডোরান্ট স্প্রে করে দিলে বা রোলঅন ঘষে দিলেই সমস্যা চুকে যাবে।
৫. ত্বকের তৈলাক্ত অংশে ডিওডোরান্ট দিয়ে মেইকআপ শুরু করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়।
৬. মশা বা পোকার কামড় বিশেষত যেগুলো বেশি চুলকায় তা উপশমে ‘ডিও’ বেশ উপকারী।
যে অংশে চুলকানি বেশি হবে সেখানে খানিকটা ডিওডোরান্ট স্প্রে করে নিলে বা ঘষে নিলে উপশম হবে।
আরও পড়ুন:
- সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে অটোরিকশা চালকের প্রাণহানি
- মুন্সীগঞ্জে ফুচকা খেতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার কিশোরী
- তিনদিনের বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস
- লিওনেল মেসির কারণে মায়ামির জার্সি বিক্রি বেড়েছে ২৫ গুণ
- জুতোয় করে ইয়াবা পাচারকালে দুই নারী মাদক কারবারি আটক
- পাইরেসির কবলে ‘সুড়ঙ্গ’; নির্মাতার আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত
- এক পরিবারে তিনজনের বেশি ব্যাংকের পরিচালক হতে পারবে না
