হবিগঞ্জে সদর উপজেলার লুকড়া ইউনিয়নের কাকড়াকান্দি গ্রামে ধানের চারা (হালি) কাটা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষে দু’পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হয়েছেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এ ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেও উভয় পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে।
আরো পড়ুন : রমজান উপলক্ষে শুভেচ্ছাবার্তা জানালেন জো বাইডেন
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,
ওই গ্রামের তাজুল মিয়া ও বারিক মিয়ার লোকজনের মধ্যে বাড়ির পার্শ্ববর্তী জমিতে ধানের চারা কাটা নিয়ে বাকবিতন্ডা হয়।
এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘন্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের টেটাবিদ্ধসহ অন্তত অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হয়।
আরো পড়ুন : বলিউড অভিনেত্রী রানী মুখার্জির হারানোর গল্প বললেন নিজেই
গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশ মিয়া, সমসু মিয়া, রুবেল মিয়া, রেনু মিয়া, নুরুল হক, দূর্জয়, সায়েল মিয়া, রাজু মিয়া, আরিফ হোসেন, হাফিজুর রহমান, মলাই মিয়া, লুৎফুর রহমান, আফজল হোসেন, বদরুল আমিন, রাজু আহমেদ, সজল হোসেল, আরিফ মিয়া, আতিকুর রহমান, গফুর মিয়া, ময়না মিয়া, আব্দুল হক, কাইয়ুম মিয়া, রুমেল মিয়া, হাসিম মিয়া, শাহিদুর মিয়াকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এর মধ্যে ৫ জনকে আশঙ্কা জনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
আরো পড়ুন : শাকিব খান এবার আদালতে
হবিগঞ্জে সদর মডেল থানার (ওসি) গোলাম মর্তুজা জানান,
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ফের সংঘর্ষ এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুক আলী জানান,
জলসুখায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ১৩ রাউন্ড টিয়ার শেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এসময় দু’জনকে আটক করা হয়।
সংঘর্ষে ইট-পাটকেলের আঘাতে সাত থেকে আটজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
আরো পড়ুন : দেশের চার বিভাগে হতে পারে বৃষ্টি

Comments are closed.