চাহিদার চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি গরু প্রস্তুত করেছে খামারিরা

কোরবানি ঈদ সামনে রেখে শেরপুরে চাহিদার তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি গরু প্রস্তুত করেছেন খামারিরা।

তবে দফায় দফায় গো খাদ্যের দাম বাড়ায় তারা বিপাকে পড়েছেন।

তবে খামারিদের দাবি, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে আমদানি ঠেকানো গেলে লাভবান হবেন তারা।

শেরপুরের বিভিন্ন অঞ্চলের খামারে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে গরু পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা।

খামারে কাঁচা ঘাস, খড়, ভুসি, ভুট্টার গুঁড়া ও খৈল খাইয়ে গবাদিপশু হৃষ্টপুষ্ট করছেন তারা।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি পরিচর্যার মাধ্যমে প্রতিটি গরু পরম যত্নে লালন পালন করছেন তারা।

তবে দফায় দফায় পশু খাদ্যের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন খামারিরা।

তারা বলছেন, সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু দেশে না আসলে ক্ষতি পুষিয়ে লাভবান হবেন। এক খামারি বলেন, বাজারে গো খাদ্যের দাম বাড়তি।

কোরবানিকে ঘিরে যদি ভারতীয় গরু দেশে না আসে তাহলে আশা করছি, ষাঁড় বিক্রি করে আমরা কিছুটা লাভবান হব।

আমরা যদি বিক্রি করে লাভই না করতে পারি তাহলে গরু পেলে কি লাভ?

এদিকে সীমান্ত দিয়ে আমদানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে শেরপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে কোনো কোরবানিযোগ্য গরু আসবে না।

এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের চিঠি দেয়া হয়েছে। আমরা পোস্ট মনিটরিংয়ে রয়েছি।

উল্লেখ্য, জেলায় কোরবানির জন্য ৫৬ হাজার ৪৪৯টি গরুর চাহিদা থাকলেও প্রস্তুত রয়েছে ৮৫ হাজার ৫৫০টি গরু।

আরও পড়ুন :

এনএএন টিভি