প্রান্তিক খামারিদের তারা জিম্মি করছে: বিপিএ

করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ইচ্ছেমতো ডিম-মুরগির দাম নির্ধারণ করে প্রান্তিক খামারিদের বারবার লোকসানের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

আবার কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ের নামে ব্লাংক চেক নিয়ে খামারিদের তারা জিম্মি করছে।

এমনটি জানিয়েছেন প্রান্তিক খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)।

শনিবার (২০ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে এসব অভিযোগ করেন সংগঠনটির নেতারা।

গত কয়েকমাস ধরেই অস্থির দেশের মুরগির বাজার। প্রতি সপ্তাহেই ওঠানামা করছে দাম।

দাম ওঠানামায় অস্থির মুরগির বাজারে একদিকে নাভিশ্বাস ভোক্তাদের।

অন্যদিকে খামারিদের দাবি, লাগাতার লোকসান গুণে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন তারা।

খামারিরা বলেন, মুরগি উৎপাদন করে বাজারে নায্যমূল্য পাওয়া যাচ্ছে না। লাভ হচ্ছে সিন্ডিকেটকারীদের। আর নিঃস্ব হচ্ছে সাধারণ খামারিরা।

মানববন্ধনে খামার ব্যবসায় কিভাবে দিনদিন কোণঠাসা হচ্ছেন তা তুলে ধরেন প্রান্তিক খামারিরা।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা খামারিদের বক্তব্যে উঠে আসে পোল্ট্রিখাত জিম্মি করতে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রাসী আচরণের নানা দিক।

খামারিরা জানান, বাচ্চার ও খাবারের দাম বাড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা।

পাশাপাশি করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন অফার ও কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ের নামে ব্লাংক চেকের মাধ্যমে প্রতারণা করছে।

এ সময় বিপিএর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বড় বড় প্রতিষ্ঠানের অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তাদের সহযোগিতা করছে স্বয়ং প্রাণিসম্পদ অধিদফতর।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন হাওলাদার বলেন,

‘যখন প্রান্তিক খামারিদের খামারে মুরগি থাকে না তখন মুরগির দাম বাড়িয়ে দেয়া হয়।

আবার খামারে মুরগি থাকলে দাম কমিয়ে দেয়া হয়। এই অবৈধ সিন্ডিকেটকে সাহায্য করছে প্রাণীসম্পদ অধিদফতরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা।

প্রান্তিক খামারিদের সুরক্ষায় শিগগিরই করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর লাগাম টানা না হলে বৃহৎ আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।

আরও পড়ুন :

এনএএন টিভি

Share this news as a Photo Card